|
|
A global network to assist |
মাননীয়
প্রধানমন্ত্রী,
জননেত্রী
শেখ হাসিনা
২৪শে সেপ্টেম্বর,
২০০৯
বাংলাদেশ
পরিবেশ
নেটওয়ার্ক
(বেন)-র পক্ষ
থেকে আপনাকে
যুক্তরাষ্ট্রে
স্বাগতম। গত
নির্বাচনে
বিপুল বিজয়
উপলক্ষে
আপনাকে
অভিনন্দন।
আপনার
জন্মদিন
উপলক্ষে আন্তরিক
অভিনন্দন।
“দিন
বদলের” যে
প্রত্যাশা
দিয়ে আপনি
সরকার গঠন
করেছেন, আমরা তার
সাফল্য কামনা
করি। সেই
সাফল্য
অর্জনের লক্ষ্যে
বেনের পক্ষ
থেকে কিছু
সুপারিশ,
তথ্য, ও
বিশ্লেষণ
দিয়ে আমরা
সহযোগীতা
করতে চাই।
১৯৯৮ সন
থেকে আজ দীর্ঘ
এগারো বছর
যাবত বেন, প্রত্যক্ষভাবে
এবং “বাংলাদেশ পরিবেশ
আন্দোলন
(বাপা)”
সহযোগীতায়
পরোক্ষভাবে,
বাংলাদেশের
পরিবেশের
বিভিন্ন বিষয়
নিয়ে
নিরলসভাবে
কাজ করে যাচ্ছে।
১৯৯৯ সনে
প্রধানমন্ত্রী
থাকাকালীন আপনি
যখন
যুক্তরাষ্ট্র
সফরে
এসেছিলেন,
তখনও বেনের
পক্ষ থেকে
বাংলাদেশের
পরিবেশের
বিভিন্ন বিষয়
নিয়ে আপনাকে
একটি স্মারকলিপি
প্রদান
করেছিলাম।
এবার
পরিবেশের সব
বিষয়ের
অবতারনা না
করে, আপনার
সরকারের “দিন
বদলের”
প্রতিশ্রুতির
ও অভিপ্রায়ের
প্রেক্ষিতে
আমরা কেবল
কয়েকটি
সুনির্দিষ্ট
বদলের বা
পরিবর্তনের
সুপারিশ করতে
চাই। এসব
সুপারিশের
পেছনের
যুক্তি,
বিশ্লেষণ, ও
তথ্য
পরিশিষ্ট
আকারে এই চিঠির
সাথে সংযোজিত
হলো।
জলবায়ু
পরিবর্তন
-----------
১) জলবায়ু
পরিবর্তনের
ইস্যুতে
সরকারের একক,
বিচ্ছিন্ন
প্রয়াসের
ধারার
পরিবর্তে
দেশের জনগণ ও
প্রবাসী
বাংলাদেশীদের
সহযোগে যৌথ
প্রয়াসের
ধারার সূচনা
করুন। এই
ইস্যুতে
দেশের
অভ্যন্তরে
নাগরিক সমাজ
যেসব উদ্যোগ গ্রহণ
করেছে, তার
যথাযথ
মূল্যায়নপূর্বক
তার দ্বারা
উপকৃত হওয়ার
জন্য দেশের
পরিবেশ মন্ত্রণালয়
ও গোটা
সরকারকে
উদ্বুদ্ধ
করুন।
বিশেষতঃ, প্রবাসী
বাংলাদেশীরা
জলবায়ু
পরিবর্তনের
হুমকীর
বিরুদ্ধে
বাংলাদেশকে
রক্ষার যে
আন্দোলনের
সূচনা করেছে
তার সবিশেষ
মূল্য
অনুধাবনপূর্বক
তার
দ্বারা উপকৃত
হওয়া, ও তার
সাথে
সহযোগীতামূলক
সম্পর্ক গড়ে
তোলার জন্য
দেশের
পররাষ্ট্র
মন্ত্রনালয় ও
দূতাবাসসমূহকে
সচেষ্ট করুন।
২) জলবায়ু
পরিবর্তনের
ইস্যুতে
করণীয়
কেবলমাত্র
উন্নত
দেশসমূহের
কাছ থেকে
সাহায্য দাবী
ও প্রাপ্তির
মধ্যে
সীমাবদ্ধ
রাখার
পরিবর্তে দেশের
আভ্যন্তরীণ
করণীয়র উপর
গুরুত্ব আরোপ
করুন।
এসব করণীয়
নির্ধারণের
জন্য দেশের
উন্নয়ন কৌশলের
একটি
সামগ্রীক
পুণর্নিরীক্ষণের
উদ্যোগ নিন।
আভ্যন্তরীণ
করণীয়র মধ্যে
গুরুত্বপূর্ণ
হলোঃ দেশের
নদ-নদীর প্রতি
পন্থার পরিবর্তন;
যানবাহন,
আবাসন, ও
নগরায়ন
সম্পর্কিত
নীতিমালার পরিবর্তন;
জ্বালানী
ক্ষেত্রের
নীতিমালার পরিবর্তন;
বন ও
আদিবাসীদের
প্রতি নীতি,
দৃষ্টিভংগী, ও
বাস্তবে
অনুসৃত
কার্যক্রমের
পরিবর্তন,
ইত্যাদি। এসব
অনেক
পরিবর্তন
দেশের নিজস্ব
সামর্থ্যের
ভিত্তিতেই
করা সম্ভব।
উন্নয়ন কৌশলের
একটি
সামগ্রীক
পুণর্নিরীক্ষণের
মাধ্যমে যেসব
লক্ষ্য
অর্জনের জন্য
বৈদেশিক
সাহায্য
প্রয়োজন, তা
আরও
সুনির্দিষ্টভাবে
চিহ্নিত
করুন।
৩)
জলবায়ু
পরিবর্তনের
ইস্যুতে
সাধারণভাবে
বৈদেশিক
সাহায্য দাবী
করার
পরিবর্তে
চিহ্নিত সুনির্দিষ্ট
প্রয়োজনসমূহ
তুলে ধরে এই
দাবী উত্থাপন
করুন।
দেশের
নদ-নদীসমূহের
পুনরুজ্জীবন,
জ্বালানী
খাতে সৌর
শক্তির দ্রুত
প্রসার অর্জন,
প্রভৃতি এরূপ
প্রয়োজনের
উদাহরণ হতে
পারে। এসব
প্রয়োজন
সম্পর্কে
বিস্তারিত
ধারণা সমুপস্থিত
করাকে
বাংলাদেশ
কর্তৃক
জলবায়ু পরিবর্তনের
ইস্যুতে তার
ন্যায্য ও
প্রয়োজনীয় বৈদেশিক
সাহায্য
প্রাপ্তির পূর্বশর্ত
হিসেবে গণ্য
করুন।
নদ-নদী
------
১) দেশের
নদ-নদীর প্রতি
এযাবত অনুসৃত “অবরোধ
(বেঁড়ী-বাঁধ)-পন্থা”
(Cordon
Approach)-র
পরিবর্তে “উন্মুক্ত-পন্থা”
(Open
Approach) গ্রহণ
করুন।
কেন “অবরোধ-পন্থা”
ক্ষতিকারক ও “উন্মুক্ত-পন্থা”
মংগলকর, তার
বিস্তারিত
যুক্তি ও
সংশ্লিষ্ট তথ্য-বিশ্লেষণ
পরিশিষ্টে
পরিবেশীত হলো।
২) ইস্টার্ন
বাইপাস (Eastern Bypass)
বেঁড়ী-বাঁধ
আকারে
নির্মাণের
পরিবর্তে “উন্মুক্ত-বাঁধ”
(তথা পর্যাপ্ত
সংখ্যক
স্লুইস গেইট
সম্পন্ন বাঁধ)
অথবা
ফ্লাই-ওভার (fly-over)
আকারে
নির্মাণ করুন।
ঢাকা
শহরের
জলাবদ্ধতার
সমস্যা
লাঘবের জন্য “পশ্চিম
ঢাকা বেঁড়ী-বাঁধ”কেও
উন্মুক্ত-বাঁধে
পরিবর্তিত
করুন।
৩) দেশের
সর্বত্র নতুন বেঁড়ী-বাঁধ
নির্মাণ বন্ধ
করুন, এবং
ইতিপূর্বে
নির্মিত বেঁড়ী-বাঁধ
সমূহকে
উন্মুক্ত-বাধেঁ
পরিবর্তিত
করুন।
৪)
পুনর্খনন ও
অন্যান্য
ব্যবস্থা
গ্রহণের মাধ্যমে
দেশের দেশের
নদ-নদী ও
অন্যান্য
জলাশয়সমূহে
কেবল
বর্ষাকালের পরিবর্তে
সারা
বছরব্যাপী
নাব্যতা
নিশ্চিত
করুন। সেজন্য
জলবায়ু
পরিবর্তন
সম্পর্কিত
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক
তহবিল হতে
প্রয়োজনীয়
সহায়তা দাবী
করুন।
৫) উজান
অবস্থানের
সুযোগ নিয়ে
বাংলাদেশের
নদ-নদী থেকে
ভারত কর্তৃক
পানি
প্রত্যাহারমূলক
সকল প্রকল্পের
দৃঢ বিরোধীতা
করুন।
ফারাক্কা, গজালডোবা,
ইত্যাদি
ভারতীয়
প্রকল্প মেনে
নেয়ার পরিবর্তে
সেগুলোর
প্রতি নীতিগত
বিরোধীতার
নীতি গ্রহণ
করুন।
৬)
তিপাইমুখ
বাঁধকে
বিচ্ছিন্নভাবে
দেখার পরিবর্তে
ভারত কর্তৃক
একতরফাভাবে বাংলাদেশের
নদ-নদী থেকে
পানি
প্রত্যাহারের
সাধারণ
প্রচেষ্টার
আলোকে
বিবেচনা করুন
এবং এই বাঁধের
বিষয়ে কোনরকম
পূর্ব-সম্মতি
দেয়া থেকে
বিরত থাকুন।
তিপাইমুখ
বাঁধ সম্পর্কে
ভারত
সরকারের নিকট
হতে পূর্ণাংগ
তথ্য আদায় করুন;
সেসব তথ্যের
ভিত্তিতে
দেশীয়
বিশেষজ্ঞ দ্বারা
প্রয়োজনীয়
সমীক্ষা
সম্পাদন
করুন;
কেবলমাত্র
সমীক্ষার
ফলাফল ও
জনগণের মতামতের
ভিত্তিতে
সিদ্ধান্ত
গ্রহণ করুন।
সম্ভাব্য
ফুলারতল বা
অন্যত্র
নির্মিতব্য
কোন ব্যারাজ
প্রকল্প
সম্পর্কে
মৌখিক আশ্বাস
গ্রহণের পরিবর্তে
দৃঢ়
বিরোধিতার
মনোভাব গ্রহণ
করুন।
জ্বালানী
খাত
---------
১) বিদেশী
কোম্পানীর
উপর
নির্ভরশীল
জ্বালানী
নীতির
পরিবর্তে দেশীয়
সক্ষমতা-নির্ভর
জ্বালানী
নীতি গ্রহণ করুন।
স্বাধীন
বাংলাদেশে
১৯৭২ সনে
বংগবন্ধু শেখ
মুজিবুর
রহমান
তদানীতন্তন
শেল
কোম্পানীর নিকট
হতে
গ্যাস-ক্ষেত্রসমূহ
কিনে নেওয়ার
মাধ্যমে দেশীয়
সক্ষমতা-নির্ভর
জ্বালানী
নীতির
সূচনা করেছিলেন।
দুর্ভাগ্যবশতঃ
পরবর্তীতে
বিভিন্ন
পদক্ষেপের
ফলে খনিজ
সম্পদের উপর
বাংলাদেশ আজ
নিজের অধিকার
ক্রমশ হারিয়ে
ফেলছে।
পরনির্ভরতার এই
ধারার
ফলশ্রুতিতে
বাংলাদেশকে
আজ নিজের গ্যাস
চড়া দামে
বিদেশী
কোম্পানির
কাছ থেকে কিনতে
হচ্ছে,
এবং সেজন্য
বিপুল পরিমাণ
কষ্টার্জিত
বৈদেশিক
মুদ্রা ব্যয়
করতে হচ্ছে,
যা দেশে বিনিয়োগের
জন্য ব্যয়িত হয়ে
দেশের
অর্থনৈতিক
প্রবৃদ্ধিকে
ত্বরাণ্বিত করতে
পারতো। দেশের
খনিজ সম্পদের
উপর অধিকার-লোপের
এই
ক্ষতিকর ধারার
পরিবর্তে
স্বাধীনতা-পরবর্তী
বংগবন্ধু
সুচিত
আত্মনির্ভরতার
ধারাটি
পুনঃপ্রতিষ্ঠিত
করুন।
জ্বালানী
খাতের
বিকাশের
ক্ষেত্রে নাইযেরীয়ার
বদলে
মালয়েশীয়াকে
মডেল হিসেবে
গ্রহণ করুন।
২) বিদেশী
কোম্পানীর
উপর
নির্ভরশীলতার
পরিবর্তে
বাংলাদেশের
জাতীয়
প্রতিষ্ঠান বাপেক্স-কে
শক্তিশালী
করুন, এবং
বাপেক্সের মাধ্যমে
দেশের
স্থলভাগে তেল
ও গ্যাস
অনুসন্ধান ও
উত্তোলনের
সকল কাজ
সম্পাদনের
উদ্যোগ গ্রহণ
করুন।
৩)
বংগোপসাগরে
বাংলাদেশের
জলসীমার
মধ্যে তেল ও
গ্যাস
অনুসন্ধান ও
উত্তোলনের
কাজের মূল দায়িত্বও
বিদেশী
কোম্পানীর পরিবর্তে
বাপেক্সের
উপর ন্যাস্ত
করুন, যাতে
বাপেক্স
সূচনাতে
বিদেশী
কোম্পানীর সহযোগে
অথবা বিদেশী
কোম্পানীর নিকট
থেকে
প্রয়োজনীয়
সরঞ্জামাদী ও
কৃতকোশল ভাড়াপূর্বক
এই কাজ শুরু
করলেও সময়ে তা
নিজেই করার অভিজ্ঞতা
ও কারিগরী
সামর্থ অর্জন
করতে পারে।
২) নতুন
করে কয়লানীতি
প্রণয়নের
পরিবর্তে
পাটোয়ারী
কমিটির
সুপারিশসমূহ
গ্রহণ ও
বাস্তবায়িত
করুন।
মূলতঃ
রপ্তানীর
জন্য বিদেশী
কোম্পানীর
নিকট
বাংলাদেশের
কয়লা খনি
ইজারা দেয়া
বাংলাদেশের
জাতীয়
স্বার্থের
পরিপন্থী
বিধায় এরুপ
পদক্ষেপ থেকে
বিরত থাকুন।
দেশাভ্যন্তরে
ব্যবহারের
জন্য কয়লা
উত্তোলনের
বিষয়ে
সিদ্ধান্ত
গ্রহণের জন্য
প্রয়োজনীয়
বিস্তারিত
লাভ-ক্ষতি
বিশ্লেষণ
সম্পাদন করুন।
এই
বিশ্লেষণের
ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক
পরিবেশ,
বিশেষত ভূ-গর্ভস্থ
ও ভূ-পৃষ্ঠস্থ
পানির উপর
প্রভাব, ও
অন্যান্য দূষণের
উপর বিশেষ নজর
দিন।
জনগণকে
আস্থায় নিয়ে
এবং স্থানীয়
জনগণের মতামতের
সম্মতি
সাপেক্ষে কয়লা
উত্তোলন
বিষয়ে
সিদ্ধান্ত গ্রহণের
নীতি অনুসরণ
করুন।
৩) জীবাশ্ম-ভিত্তিক
জ্বালানীর
পরিবর্তে
নবায়নযোগ্য
জ্বালানী,
বিশেষতঃ সৌর-শক্তির
ব্যবহারের
উপর গুরুত্ব
আরোপ করুন।
যেমনিভাবে
বাংলাদেশ
সরাসরি
মোবাইল ফোনের
স্তরে
পৌঁচেছে,
তেমনিভাবে
বাংলাদেশ
সরাসরি সৌর-শক্তির
স্তরে
পৌঁছাতে
পারে।
সৌরশক্তির বিভিন্ন
উপাদান তৈরী
বাংলাদেশে
পোশাক-শিল্পের
মতো নতুন
এক শিল্প
খাতের জন্ম
দিতে পারে।
সৌর শক্তির
প্রসারের
লক্ষ্যে
জলবায়ু
পরিবর্তনের
ইস্যুতে
সৃষ্ট
আন্তর্জাতিক
তহবিল হতে
সাহায্য লাভের
জন্য
বাংলাদেশের
দাবী জোরদার
করার সুযোগ
গ্রহণ করুন।
আমন্ত্রণ
-----
আপনি জেনে
খুশী হবেন যে,
আগামী ২০১০
সনের জানুয়ারী
২-৩ তারিখে
ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের
ক্যাম্পাসে “বাংলাদেশ
পরিবেশ
আন্দোলন
(বাপা)” ও “বাংলাদেশ
পরিবেশ
নেটওয়ার্ক
(বেন)”-র উদ্যোগে
ও দেশের
প্রধান সকল
বিশ্ববিদ্যালয়ের
সহযোগে “বাংলাদেশের
পরিবেশ বিষয়ক
তৃতীয়
আন্তর্জাতিক
সম্মেলন”
অনুষ্ঠিত হতে
যাচ্ছে। এই
সম্মেলনের
উদ্বোধনী
অধিবেশনে
প্রধান অতিথি হিসেবে
যোগদানের জন্য
আপনাকে বেনের
পক্ষ থেকে
সাদর
আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
সম্মেলনের
সাংগঠনিক
কমিটির পক্ষ
থেকে বাপার
নেতৃবৃন্দও
ঢাকায় আপনাকে
আনুষ্ঠানিকভাবে
এই আমন্ত্রণ
জানাবে। আমরা
অত্যন্ত
আনন্দিত যে,
ইতিপূর্বে
২০০০ ও ২০০২
সনে অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশের
পরিবেশ বিষয়ক
প্রথম ও
দ্বিতীয়
আন্তর্জাতিক সম্মেলনেও
আপনি প্রধান
অতিথি
হিসাবে উদ্বোধনী
ও সমাপনী
অধিবেশনে যোগ
দিয়েছিলেন।
আমরা আশা করি
যে, আপনি আমাদের
এই
আমন্ত্রণ
গ্রহণ করবেন ও
পরিবেশ
রক্ষায় আপনার
বিশেষ
আগ্রহের পুণরায়
সাক্ষর
রাখবেন।
বিনীত,
ডঃ নজরূল
ইসলাম
বিশ্ব-সমন্বয়কারী,
বেন